Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

ক) খানাপুরী কাম বুঝারত:

    এই সত্মরে একজন হলকা অফিসার (কানুনগো/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার) এর নেতৃত্বে ৩ (তিন) জন মৌসুমী কর্মচারী একটি হলকায় কাজ করেন। একাধিক হলকা হলে একাধিক হলকা অফিসার এবং প্রতিটি হলকায় তিনজন মৌসুমী কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। এ পর্যায়ের হলকা অফিসারের তত্ত্বাবধানে মৌসুমী কর্মচারীগণ প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে নকশা ও খতিয়ান প্রণয়ন করেন। সেÿÿত্রে ভূমি মালিকগণ নিজ নিজ ভূমির আইল সীমানা প্রদর্শন করবেন এবং দখলকার হিসেবে নিজ নিজ নাম খসড়ায় লিপিবদ্ধ করণে সহায়তা করবেন। অতঃপর স্বত্বলিপির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করবেন। সে মোতাবেক স্বত্বলিপি প্রস্ত্ততপূর্বক ভূমি মালিকগণকে প্রস্ত্ততকৃত খতিয়ানের পর্চা কপি সরবরাহ করা হবে।

খ)তসদিক:

    মাঠ পর্যায়ে মৌসুমী কর্মচারীগণের দ্বারা প্রস্ত্ততকৃত নকশা এবং খতিয়ান সংশিস্নষ্ট সার্কেল অফিসে জমাদানের পর একজন রাজস্ব কর্মকর্তা তসদিক করণের জন্য ভূমি মালিকগণকে প্রতিদিন ১০০ খতিয়ানের তসদিক কাজ সম্পাদনের লÿÿ্য নির্ধারিত মৌজায় ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং কর্মসূচী মোতাবেক তসদিক কাজ সম্পাদন করবেন। অত্র সত্মরে ভূমি মালিকগণ মাঠ পর্চা এবং সংশিস্নষ্ট খতিয়ানের মালিকানা সংক্রামত্ম যাবতীয় কাগজপত্র তসদিক অফিসারের সম্মুখে উপস্থাপন করবেন। তসদিক অফিসার কাগজপত্র দেখেসংশিস্নষ্ট খতিয়ান ওপর্চা কপি তসদিক করবেন। এই সত্মরে প্রস্ত্ততকৃত কোন খতিয়ানের বিরম্নদ্ধে দাবী থাকলে নির্ধারিত ফরমে ডিসপুট/বিবাদ দায়ের করতে পারেন। সেÿÿত্রে তসদিক কর্মকর্তা ঐ খতিয়ানটি তসদিক কাজ বন্ধ রেখে দায়েরকৃত বিবাদের উভয় পÿকে নোটিশ করবেন এবং শুনানী অমেত্ম বিবাদ নিষ্পত্তি করবেন।সংশোধিত খতিয়ানের পর্চা কপি আবেদনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

গ)খসড়া প্রকাশনা:

    খসড়া প্রকাশনা চলাকালীন ভূমি মালিকগণ নিজ নিজ পর্চা অফিসে সংরÿÿত রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন। প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কোন আপত্তি থাকলে সরকার নির্ধারিত কোর্ট ফি দিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে ৩০ ধারা আপত্তি দায়ের করতে পারেন।

ঘ)আপত্তি শুনানী:

    আপত্তি শুনানীকালে জনগণকে নোটিশ প্রদান পূর্বক নির্ধারিত তারিখ ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিষ্পত্তি করা হয়। রায়ে বাদী পÿÿর দাবী পূরণ হলে খতিয়ান সংশোধন করা হয়।সংশোধিত খতিয়ানের পর্চা কপি আবেদনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

ঙ)জাবেদা নকল সংগ্রহ:

    আপত্তি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে সংÿুব্ধ পÿজাবেদা নকলের আবেদন করে ৩১ বিধিতে আপীল দায়ের করতে পারেন। এছাড়াও রেকর্ডপত্র হসত্মামত্মরের পূর্ব পর্যমত্ম৩০ ও ৩১ বিধির জাবেদা নকল সংগ্রহ করা যায়।

চ)আপীল শুনানী:

    সংশিস্নষ্ট পÿগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিষ্পত্তি করা হয়। রায়ে বাদী পÿÿর দাবী পূরণ হলে খতিয়ান সংশোধন করা হয়।সংশোধিত খতিয়ানের পর্চা কপি আবেদনের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়।

ছ)বদর/সরেজমিন তদমত্ম:

    দাগের এরিয়া কমবেশি হলে, পৃথক দাগের প্রয়োজনে, দখল নির্ণয়ের প্রয়োজনে, তসদিক/আপত্তি/আপীল সত্মরে বদর তদমত্ম/সরেজমিন তদমেত্মর মাধ্যম সংশোধন করা যায়।

জ)     চূড়ামত্ম প্রকাশনা:

    রেকর্ড মূদ্রণের পর ৩০ কর্ম দিবস চূড়ামত্ম প্রকাশনার সময়কাল। এ সত্মরে ভূমি মালিকগণ মূদ্রিত নকশা ও খতিয়ান সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে ক্রয় করতে পারেন। চূড়ামত্ম প্রকাশনা চলাকালীন মূদ্রিত খতিয়ান/নকশায় ছাপার ভুল হলে ৫৩৩/৫৩৪/৫৩৭ বিধিতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে সংশোধন করতে পারেন।